On 8:23 PM in kids of bd, শিক্ষামূলক গল্প
জাপানিজরা বাচ্চা থাকতেই পরিশ্রম করতে শিখে। উন্নত দেশ বলে ওদের মুখে সোনার
চামচ দিয়ে খাবার তুলে দেয় না বাবা মায়েরা। স্কুলে ওরা শুধু পড়াশোনা
করতে যায় না, ওরা ফার্মিং (আলু, সব্জি সহ অন্যান্য খাদ্য শস্য চাষ করে )
করে, সেই উৎপাদন থেকে ওদের স্কুলের লাঞ্চ তৈরি হয়। টিফিনের সময় খাবার
কালেকশন করতে গিয়ে বাবুর্চিদেরকে যথেষ্ট সম্মানের সাথে ধন্যবাদ জ্ঞাপন
করে। এর পর থেকে প্রতিটা কাজ যেমন খাবার বিতরণ, সংগ্রহ, ধোয়া, মোছা এমনকি
স্কুলের ফ্লোর ঝাড়ু দেয়া ও মোছার কাজও ওরা করে। প্রত্যেকটা কাজকে ওরা
সম্মানের সাথে মূল্যায়ন করে বলেই এটা সম্ভব।
আমাদের দেশে বাবা মায়েরা বাচ্চাদেরকে কিছুই করতে শেখান না। একটা সময় পর্যন্ত কোলে বসিয়ে খাওয়ান, একটু বড় হলে কাছে বসিয়ে খাইয়ে দেন, আরও বড় হলে নলা ধরে খাইয়ে দেন। মা সারাদিন ঘর সামলান এরপর বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় ধুয়ে দেন, রূম গুছিয়ে দেন... এভাবে সব কিছুই করে দেন। বাচ্চারা শুধু আলালের ঘরের দুলালের মতো পায়ের উপর ঠ্যাং তুলে খায় আর যতো বড় হয় ততো বাবা-মা কে শাসায়। বাবা-মাও ভালোবাসার ঠেলায় চোখ-মুখ বুজে সহ্য করে যান। চিন্তা করেন, এদেরকে মানুষ করতে হলে কষ্ট করতে হবে, বড় হলে ওরা ভাল হয়ে যাবে, বড় হলে সব ঠিক হয়ে যাবে, বড় হলে বুঝবে।
বাচ্চারা আর বড় হয় না। ভালও হয় না। সব কিছু ঠিকও হয় না। বাচ্চাই থেকে যায়। তাদের অনেক বেতনের চাকরি লাগে। ঘর দোর ঝাড়-মোছ করতে একজন লাগে, থালা বাসন কুশন ধুয়ে দিতে একজন লাগে। তরি তরকারি কাটাকুটা করতে আরেকজন লাগে। দৈনন্দিন কাজ গুলো করতে অনেক চাকর লাগে। রাজা হয়ে থাকতে চায়। কেউ এসে করে দিবে এমনটা সে ছোট থেকেই শিখেছে। এভাবে এদের পা আর মাটিতে নামে না... উড়তে থাকে।
সংকলিত-
আমাদের দেশে বাবা মায়েরা বাচ্চাদেরকে কিছুই করতে শেখান না। একটা সময় পর্যন্ত কোলে বসিয়ে খাওয়ান, একটু বড় হলে কাছে বসিয়ে খাইয়ে দেন, আরও বড় হলে নলা ধরে খাইয়ে দেন। মা সারাদিন ঘর সামলান এরপর বাচ্চাদের কাপড়-চোপড় ধুয়ে দেন, রূম গুছিয়ে দেন... এভাবে সব কিছুই করে দেন। বাচ্চারা শুধু আলালের ঘরের দুলালের মতো পায়ের উপর ঠ্যাং তুলে খায় আর যতো বড় হয় ততো বাবা-মা কে শাসায়। বাবা-মাও ভালোবাসার ঠেলায় চোখ-মুখ বুজে সহ্য করে যান। চিন্তা করেন, এদেরকে মানুষ করতে হলে কষ্ট করতে হবে, বড় হলে ওরা ভাল হয়ে যাবে, বড় হলে সব ঠিক হয়ে যাবে, বড় হলে বুঝবে।
বাচ্চারা আর বড় হয় না। ভালও হয় না। সব কিছু ঠিকও হয় না। বাচ্চাই থেকে যায়। তাদের অনেক বেতনের চাকরি লাগে। ঘর দোর ঝাড়-মোছ করতে একজন লাগে, থালা বাসন কুশন ধুয়ে দিতে একজন লাগে। তরি তরকারি কাটাকুটা করতে আরেকজন লাগে। দৈনন্দিন কাজ গুলো করতে অনেক চাকর লাগে। রাজা হয়ে থাকতে চায়। কেউ এসে করে দিবে এমনটা সে ছোট থেকেই শিখেছে। এভাবে এদের পা আর মাটিতে নামে না... উড়তে থাকে।
সংকলিত-
খুঁজে দেখো -----
জনপ্রিয় লেখা
-
পানিভর্তি গ্লাস হাতে নিয়ে ক্লাশ আরম্ভ করলেন এক প্রফেসর। হাত দিয়ে গ্লাসটি উঁচু করে ধরে জিজ্ঞেস করলেন, “এই গ্লাসটির ওজন কত বলতে পার?” । ৫০ ...
-
আমাদের অধিকাংশেরই মন মানসিকতা এমনভাবে গড়ে ওঠেছে যে, চাকরগিরী কিংবা কেরানিগিরী করা ছাড়া স্বাধীন উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তাও যেন আমরা করতে পা...
-
জাপানিজরা বাচ্চা থাকতেই পরিশ্রম করতে শিখে। উন্নত দেশ বলে ওদের মুখে সোনার চামচ দিয়ে খাবার তুলে দেয় না বাবা মায়েরা। স্কুলে ওরা শুধু পড়াশ...
-
সব ধরনের তৃণলতার মাটির ভাঙন রোধের ক্ষমতা সমান নয়। অস্ট্রেলিয়া, কম্বোডিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, জিম্বাবুয়ে, পৃথিবীর এ মাথা...
-
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে ডিজিটাল কানেকটিভিটির আওতায় আনা হবে। ...
-
মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭ ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারে এটি চালাতে ৩২ এবং ৬৪ বিটের জন্য যথাক্রমে ১ এবং ২ গিগাহার্টজ প্রসেসর লাগবে। র্...
-
একটি ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছিল। এই যড়যন্ত্র ...
-
নিজের পরিবারের দরিদ্রতা নিয়ে আফসোস না করে, নিজের দরিদ্রতার দোহাই দিয়ে অন্যের কাছ থেকে সুযোগ সুবিধা গ্রহনের চেষ্টা না করে, নিজেকে প্রস্তু...
