জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন।

Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts
Showing posts with label টিউটোরিয়াল. Show all posts
আমরা অনেকেই জানি ফাইভার নামে একটা মার্কেটপ্লেস আছে, আবার হয়তো অনেকেই জানি না। আজ আমি এই ফাইভার মার্কেটপ্লেস নিয়ে কিছু বলবো। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, সবাই কাজ নিয়ে বলে কিন্তু আমি মার্কেটপ্লেস নিয়ে বলবো কেন? কারণ, ফাইভার হতে পারে আপনার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন পূরণের সারথী। আমরা অনেকেই অনেক কাজ জানি কিন্তু মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে না জানার কারনে কাজ করতে পারিনা। তাই আমি মনে করি কাজ জানা যতটা জরুরি মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে জানাটাও ততটা জরুরি। আর ফাইভার সম্পর্কে বলবো কারণ এখানে অনেক ছোট ছোট কাজ করে আপনি অনেক আয় করতে পারেন। এখানে অনেকেই শুধুমাত্র ইমেজ এডিটিং বা ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভের কাজ করে অনেক টাকা আয় করেন। ধারাবাহিকভাবে আমি ফাইভার নিয়ে বিস্তারিত লিখবো। আজ থাকছে তার প্রথম পর্ব………
fiverr_screenshot-216b16809ae989525420e1fab325fd4e

কি কি থাকবেঃ

১. ফাইভার মার্কেটপ্লেস (www.fiverr.com) সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা।
২. ফাইভারে একাউন্ট তৈরি ও গিগ বানানো । (যদিও আমার মনে হয় এটা দেখানোর কোন দরকার নেই। আমরা সবাই একাউন্ট তৈরি করতে পারি। এটা দেখাবো কি দেখাবো না সেটা আপনার ঠিক করবেন)
৩. শেষে থাকবে ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কাজ পাওয়ার কিছু অব্যর্থ টিপস।
আজ আমি ফাইভার মার্কেটপ্লেস নিয়ে ধারণা দিতে চেষ্টা করব। ফাইভার মার্কেটপ্লেসকে আমরা অনেকেই জেনে বা না উপেক্ষা করি। আজ আমি বলবো ফাইভারকে উপেক্ষা করার কারণ এবং কেন আমদের ফাইভারকে উপেক্ষা করা উচিত নয়।

উপেক্ষার কারণঃ

১. ফাইভার সম্পর্কে সঠিক ধারণার অভাব ।
২. ফাইভারকে শুধু $5 এর মার্কেটপ্লেস ভেবে ভুল করা ।

কেন উপেক্ষা করা উচিত নয়ঃ

১. আমি মনে করি ফাইভার হতে অনেকের বিশেষ করে নতুনদের স্বপ্ন পূরণের এবং আত্মবিশ্বাসী হওয়ার মার্কেটপ্লেস। এখানে অনেক সুযোগ আছে নতুনদের কাজ পাওয়ার । এখানে বিক্রি হয়না এমন কোন কাজ বোধহয় আমরা করি না। আপনি যা ভাল পারেন তা দিয়েই এখানে শুরু করতে পারেন।
২. ফাইভারের স্লোগান ৫ ডলারের হলেও ফাইভার আসলে শুধু ৫ ডলারের নয়। আসল সত্যি হচ্ছে ফাইভা্রে ৫ ডলারের নিচে কোন কাজ নেই।
৩. ফাইভারে বিড করার কোন ঝামেলা নেই তাই বিড করা নিয়ে নতুনদের যে ভয় সেটা থাকছে না। তাছাড়া বিড করার জন্য সময়টাও আপনার ব্যয় হচ্ছে না।
৪. এখানে আপনার বায়ারকে খুজতে হবে না, বায়ার আপনাকে খুজে নিবে। ঠিক বাসায় “টু-লেট” বিজ্ঞাপন দেওয়ার মত। যার বাসা ভাড়া দরকার বাকিটা সেই বুজবে।
৫. ফাইভারের ফিল্টারিং এমনভাবে করা যাতে থাকছে সবার জন্য সমান সুযোগ।
৬. এখানে বিড করার কোন পথ না থাকলেও আপনি বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন যা এক প্রকার বিড বলার যায়। তারমানে হচ্ছে এখানে দুই ধরণের পথই খোলা থাকছে আপনার জন্য।
৭. ফাইভারে প্রচুর পরিমাণে কাজ পাওয়া যায়। যদি অধিকাংশ কাজই ছোট ছোট কিন্তু ভুলে যাবেন না ছোট ছোট বালুকণা দিয়েই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে।
এমন আরও অনেক কারণ আছে যা আপনার স্বপ্ন পূরণের পথে আপনাকে একধাপ এগিয়ে দিতে পারে। তবে মনে রাখবেন আপনার স্বপ্ন আপনাকেই পূরণ করতে হবে। ক্ষেত্র তৈরি, সামনে অপার সম্ভাবণা কিন্তু আপনি প্রস্তুত তো? যে কোন ক্ষেত্রে সফল হওয়ার জন্য পরিশ্রমের কোন বিকল্প নেই। ফ্রিলান্সিং ও এর বাইরে নয়। হতাশ না হয়ে এগিয়ে যান, সফলতা আসবেই। আপনার সফলতার পিছনে আপনি ছাড়া আর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। আপনার স্বদিচ্ছা এবং পরশ্রমই আপনাকে এনে দিতে পারে কাঙ্খিত সাফল্য। তাই এগিয়ে যান।
অনেক কিছুই হয়তো বলা হয়নি যা বলা দরকার ছিল। আশা করি পরের পর্বে আসবে। এ বিষয়ে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে কমেন্ট করেন অথবা আমার সাথে সরাসরি ফেইসবুকে যোগাযোগ করতে পারেন।
ফেসবুকে সারাদিন বিনাকারনে আমরা প্রচুর সময় নষ্ট করি। কিন্তু ফেসবুকে ব্যয় করা এ সময়টুকু ব্যয় করে ঘরে বসেই অনেক বড় ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। ঘরে বসেই সম্ভব প্রচুর আয় করা। অনেককেই বিভিন্ন সময় এ ব্যপারে বিচ্ছিন্নভাবে পরামর্শ দিয়েছি। ক্রিয়েটিভ আইটিতেও এসইও কোর্স করানোর সময় সবাইকে ওডেস্ক কিংবা অন্যকোন মার্কেটপ্লেসে কাজ না করে উদ্যোক্তা হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করার জন্য সোশ্যালমিডিয়াকে ব্যবহার করে নিজের একটি অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করে আয় করার জন্য উৎসাহিত করি। এব্যাপারে বিভিন্ন টিপস সবসময় আমার স্টুডেন্টরা পেয়ে এসেছে।
fcommerce1
ইতিমধ্যে আমার কয়েকজন নারী স্টুডেন্ট সেই অনুযায়ি কাজ করে সফল হয়েছে। হয়ত এখনও বড় উদ্যোক্তা হতে পারেনি এখনও। তবে বড় উদ্যোক্তা হবে একদিন সেই বিশ্বাসটা আমার রয়েছে। সেইরকম কিছু টিপস নিয়ে আমার আজকের এ আর্টিকেলটি। চেষ্টা করেছি, চেকলিস্টের মত করে লেখার।  তবে বড় ধরনের আয় করার জন্য অ্যাডভান্স কিছু জানা থাকতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাডভান্স বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে ১মবারের মত বিশেষ কোর্সও চালু করেছি। যে কোর্স ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বাইরে গিয়ে করতে হত। অনলাইনে অনেকে এধরনের কোর্স করেছে, যেগুলোর মিনিমাম ফি ৪০০ ডলার হয়ে থাকে। সেটি সবার জন্য এখন ক্রিয়েটিভ আইটিতেই করার ব্যবস্থা করেছি। সেই কোর্সের বিস্তারিত জানার লিংকঃ http://goo.gl/3rDtjw
ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যবসা প্রচার করার বিষয়ে আমার অন্য একটি আর্টিকেল রয়েছে। সেটিও পড়তে পারেন।
লিংকঃ http://genesisblogs.com/tutorial-2/638

এফকমার্সঃ

ফেসবুকের মাধ্যমে যে ব্যবসা তাকে, এফ কমার্স বলে। টাকা খরচ করে ওয়েবসাইট তৈরির প্রয়োজন নেই এক্ষেত্রে। শুধুমাত্র ফেসবুকে একটি পেজ খুলেই ব্যবসা শুরু করা যাবে। ইতিমধ্যে দেশে অনেকেই করছেন এরকম কিছু। বাংলাদেশে এখন পযন্ত যে কয়টি আমার চোখে পড়েছে, সেই অনুযায়ি বলতে পারি, এখন পযন্ত রাজশাহীর খাটি আম, সুন্দরবনের খাটি মধু, জামদানী শাড়ি, বিভিন্ন গিফট আইটেম, ড্রেস সম্পর্কিত প্রোডাক্ট নিয়ে অনেকে ব্যবসা শুরু করেছেন। এ এফ কমার্স ব্যবসা করার জন্য খরচও করার প্রয়োজন হয়না।

১ম ধাপ (ব্যবসা সম্পর্কিত সঠিক নাম বাছাই করে ফেসবুক পেজ তৈরি):

ফেসবুক ফেসবুকে ব্যবসা সম্পর্কিত একটি পেজ তৈরি করতে হবে। পেজের নামটি হবে ব্যবসার নাম। লং টাইম ব্যবসা করার টার্গেট করেই নামটা ঠিক করতে হবে।
facebook

২য় ধাপ (প্রফেশনাল লোগো তৈরি):

ব্যবসা সম্পর্কিত একটি সুন্দর লোগো ডিজাইন করে নিতে হবে। যাকে দিয়ে লোগোটি ডিজাইন করাবেন, তাকে দিয়ে একটি থিম ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন করে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

৩য় ধাপ (পেজের জন্য ব্যবসা সম্পর্কিত কভার ছবি তৈরি):

সুন্দর এবং অবশ্যই প্রফেশনাল একটি ফেসবুক কভার ডিজাইন করিয়ে নিন।

৪র্থ ধাপ (পেজে About সেকশনে ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য যুক্ত করা):

ফেসবুক পেজটির About পেজটিতে ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালভাবে পূরণ করুন।
উদাহরণঃ https://www.facebook.com/JamdaniVille/ এ পেজের About  পেজটি দেখতে পারেন। আরও ভাল কিছু লিখতে পারেন।

৫ম ধাপ (পেজে প্রাথমিকভাবে মেম্বার যুক্ত করা):

পেজটি প্রস্তুত। উপরের ৪টি ধাপের প্রস্তুতির জন্য সময় ২দিনের বেশি ব্যয় করা মোটেই উচিত হবেনা। তাহলে শুরুতেই আপনার পদক্ষেপ ভুল হবে। ৫ম ধাপটিতে, পেজের মেম্বার বাড়ানো শুরু করতে হবে। সবার প্রথমে নিজের ফ্রেন্ড লিস্টের সবাইকে, নিজের কাছের কোন বন্ধুকে অনুরোধ করে, তার ফ্রেন্ডলিস্টের সবাইকে এ পেজে যুক্ত করে নেওয়ার জন্য ইনভাইট করুন। এ পদ্ধতিতেই চেষ্টা করুন পেজে ১০০০ টা লাইক যুক্ত করার।

৬ষ্ঠ ধাপ (পেজে অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি):

এ ধাপটিতে এসেই অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি শুরু করতে হবে। অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি শুরু করলে, পেজ মেম্বারও নিয়মিত বৃদ্ধি পাবে।

কেন অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে হবে?

facebook-commerce-360
মার্কেটপ্লেসের বাইরে গিয়ে অনলাইনে এসব ব্যবসার ক্ষেত্রে, যে ক্রেতা, তার কাছে আপনি (ব্যবসার মালিক) একদম অপরিচিত এবং অবিশ্বস্ত। সুতরাং ক্রেতা কখনও প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার আগে  আপনাকে পেমেন্ট করতে সাহস পাবেনা। আবার আপনি নিজেও পেমেন্ট পাওয়ার আগে অপরিচিত একজনকে প্রোডাক্ট দিতে রিস্ক নিবেননা। যদি ক্রেতা আপনার পরিচিত হত, তাহলে ক্রেতা আপনাকে বিশ্বাস করত ,সেক্ষেত্রে প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার আগেই পেমেন্ট দিতে তার আপত্তি থাকতনা। তেমনি আপনি নিজেও পেমেন্ট বাকি রেখে তাকে প্রোডাক্ট দিতে হয়ত আপত্তি করবেননা। তাহলে দেখা গেল , পরিচিত হওয়াটাই আসল। অনলাইনের মাধ্যমেই এখন মানুষের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। আর এ বন্ধুত্ব তৈরির জন্যই অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধির চেষ্টা করতে হবে। আর অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি হলেই বিশ্বাস এবং আস্থা তৈরি হবে। তখনই ক্রেতা প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার আগেই পেমেন্ট দিতে আপত্তি করবেনা।
কিভাবে এ অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি করবেন, সেটি পরের পর্বে পোস্ট করব।
বিনাকারনে আমরা প্রচুর সময় নষ্ট করি ফেসবুকে।ফেসবুকে  কিন্তু  ব্যয় করা এ সময়টুকু ব্যয় করে ঘরে বসেই অনেক বড় ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব। ঘরে বসেই সম্ভব প্রচুর আয় করা। অনেককেই বিভিন্ন সময় এ ব্যপারে বিচ্ছিন্নভাবে পরামর্শ দিয়েছি। ক্রিয়েটিভ আইটিতেও এসইও কোর্স করানোর সময় সবাইকে ওডেস্ক কিংবা অন্যকোন মার্কেটপ্লেসে কাজ না করে উদ্যোক্তা হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করার জন্য সোশ্যালমিডিয়াকে ব্যবহার করে নিজের একটি অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করে আয় করার জন্য উৎসাহিত করি। এব্যাপারে বিভিন্ন টিপস সবসময় আমার স্টুডেন্টরা পেয়ে এসেছে।
fcommerce1
এবার এ ব্যাপারে সবার জন্য পোস্ট লিখেছি, যার ১ম পর্ব ইতিমধ্যে অনেকেই পড়েছেন।
যারা এখনও পড়েননি, তাদের জন্য আবার এখানে লিংক দিচ্ছি।

ফেসবুকের মাধ্যমে ঘরে বসেই ব্যবসা করার বিস্তারিত টিপস (১ম পর্ব)

আজকের পর্বে মূলত ফেসবুক পেজের লাইক বাড়ানো এবং অ্যানগেজমন্টে বাড়ানো শিখাবো। ফেসবুকে শুধু লাইক বেশি থাকলেই আসলে সেল হবে এটা অনেকের ধারণা। যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ফেসবুক পেজে অ্যানগেজমেন্টটা সবচাইতে জরুরী।

কিভাবে অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি করবেন?

- প্রতিদিন ফেসবুক পেজটিতে ৩টি করে পোস্ট দিবেন। কি পোস্ট করবেন, সেগুলো নিয়ে আগে কিছুটা ব্রেন স্ট্রোমিং করে নিন। ব্রেন স্ট্রোমিং করার ব্যপারে কিছু পরামর্শ দিতে পারি। ধরি, আপনার ব্যবসাটি হবে দেশীয় ভেজাল মুক্ত খাবার, যেমনঃ ফরমালিন মুক্ত আম। তাহলে ফরমালিনের আপনার কন্টেন্ট গুলো হবে, ফরমালিনের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়, আম নিয়ে বিভিন্ন টপিকসও এখানে যুক্ত হতে পারে।
এবার তাহলে এ সম্পর্কিত অনলাইনে কি কি পোস্ট আছে সেগুলো খুজে বের করে আগে সব লিস্ট করে রাখুন।
- লিস্ট করে রাখা সব পোস্টগুলো থেকে এবার কন্টেন্ট তৈরি করুন। ফেসবুকের কন্টেন্ট সাইজ বেশি বড় না হওয়াটাই ভাল। ব্লগের কনটেন্ট হতে হয় বড়। অনলাইন থেকে খুজে বের করা আর্টিকেলগুলো থেকে নিজের মত করে কন্টেন্ট তৈরি করুন। কপি কন্টেন্ট না করে নিজের মত করে কন্টেন্ট উপস্থাপন করুন। কপি কন্টেন্ট ব্যবহার করলে ব্রান্ডিংয়ে কম সফল হবেন। এমন কন্টেন্ট তৈরি করুন, যা মানুষের জন্য উপকারী হবে। মানুষের উপকারী তথ্য দিয়ে কোন পোস্ট করলেই, পেজের মেম্বাররা আপনাকে বন্ধু মনে করা শুরু করবে, আপনার উপর আস্থা শুধুমাত্র তখনই তৈরি হবে।
(শুরুতে কখনই বিজ্ঞাপন টাইপ কোন পোস্ট করবেননা, তাতে বন্ধুত্ব তৈরি হবেনা, দূরত্ব তৈরি হবে।)
- প্রতিদিনের ৩টি পোস্টের মধ্যে একটি পোস্ট কুইজ টাইপ হতে পারে। কুইজ টাইপ পোস্টে কমেন্ট এবং লাইক প্রচুর পাওয়া যায়।
- সপ্তাহের একদিন ইনফোগ্রাফিকস ধরনের পোস্ট করতে পারেন। ছবি সম্পর্কিত পোস্টগুলো প্রচুর শেয়ার হয় এবং অ্যানগেজিংও প্রচুর বৃদ্ধি পায়। আমি আমার একটি ফেসবুক পেজে (https://www.facebook.com/dr.foyzunnahar) এ কাজটি করেছিলাম। সেই রকম একটি ইমেজ এখানে শেয়ার করছি।
nahar
ইমেজটি লক্ষ্য করলে দেখবেন, সেখানে মানুষের জন্য উপকারী তথ্য দেওয়া আছে এবং ছবিটি দেখতেও আকর্ষণীয় হওয়ার কারনে অবশ্যই এটা শেয়ার হবে। ছবিটির নিচের ফেসবুক পেজের নাম থাকার কারনে, যাদের ওয়্যালে শেয়ার হচ্ছে, তাদের কাছ থেকে তাদের বন্ধুরা পেজটি সম্পর্কে জানতে পারবে। আর বার বার এ পেজটির নাম জানলেই, সেটি ব্রান্ড হয়ে দাঁড়াবে। ব্যবসায়িক কারনে তৈরি কোন ইমেজ কেউ সেটি শেয়ার করবেনা।
কোন একজন ডিজাইনারকে দিয়ে একটিমাত্র ছবি তৈরি করে নিন। পরে প্রতি সপ্তাহে শুধুমাত্র লেখা আর ছবি খুব সহজে নিজেই পরিবর্তন করে নিন। কাজটি তাহলে সহজ হয়ে যাবে।
- শুরুর দিকে খুব সতর্কভাবে প্রতি ৩দিন পর পর কোন একটি পোস্টে আপনার ব্যবসার কথা বলতে পারেন, তবে এত তাড়াতাড়ি সরাসরি প্রোডাক্ট বিক্রির কথা বললে, সেটি ব্রান্ডিংয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সেরকম একটি পোস্টের উদাহরণ দিচ্ছি এখানেঃ
গত সপ্তাহে রাজশাহীতে আমার নিজের পরিচিত একটি বাগান থেকে ইকরাম ভাইয়ের কাছে ১মণ আম বিক্রি করেছিলাম। উনার পরিকল্পনা ছিল, আমগুলো ১মাস ধরে খাবে। কিন্তু ২ দিন পর দেখেছে, বেশির ভাগ আম পচে কাল হয়ে গেছে। হুমম, এটিই হচ্ছে, ফরমালিন মুক্ত আমের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- মানুষের জন্য উপকারী এবং আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে মাঝে মাঝে চেষ্টা করুন, ব্লগে পোস্ট করেন। ব্লগপোস্টটির নিচে শুধু পেজে লাইক দেওয়ার অনুরোধ করে পেজের লিংক দিয়ে আসলেই হবে। ব্লগপোস্টে আর অন্য কোন বিজ্ঞাপন চালানোর লোভ সংবরণ করুন। এরকম ব্লগের জন্য পোস্ট মাসে ২টি হলেই চলবে। আরও বেশি করতে পারলেতো কথাই নাই। ভালই হবে।
- কাছের মানুষদের কাছ থেকে পেজের রিভিউ অংশে ভাল রিভিউ লিখে নিন। অনুরোধের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে আদায় করে নিতে হতে পারে শুরুর দিকে। যারা একটু অনলাইনে বেশি পরিচিত তাদের কাছ হতে রিভিউ নিতে পারলে বেশি ভাল হবে। এ রিভিউ দেখে মানুষের মনে আপনার কাছ হতে প্রোডাক্ট কিনার ব্যাপারে আস্থা তৈরি হবে। কাছের মানুষের কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করেই রিভিউ নিন, মিথ্যা রিভিউ নেওয়ার দরকার নেই।
- ১মাস পর থেকে প্রতিদিনের ৩টি পোস্টের মধ্যে একটি পোস্ট অবশ্যই একটি বিজ্ঞাপনধর্মী পোস্ট হবে। দুটিও হতে পারে। চেষ্টা করুন, সেই ব্যবসা সম্পর্কিত নিজের যেকোন কাযক্রমগুলোই সেখানে পোস্ট করার জন্য্। তাহলে অ্যানগেজিংটা অনেক বাড়বে। তবে সবসময়ই বিজ্ঞাপনের বাইরেও সবার জন্য উপকারী কনটেন্ট অবশ্যই করার দিকে সচেতন থাকতে হবে।
- যেসব পোস্টগুলো সবার জন্য কাজে লাগবে, সেই পোস্টগুলো অন্যগ্রুপেও শেয়ার করুন। তাহলে এ ফেসবুক পেজটির লাইক বাড়তে থাকবে।
- ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। ভিডিও শেয়ার হয় প্রচুর। সেখান থেকেও অনেক লাইক বৃদ্ধি পাবে। মাসে একটি ভিডিও আপলোড করার পরিকল্পনা রাখলেই ভালই হবে।
- মাসে একটি করে বিশেষ অফার দিতে পারেন। তবে সবসময় ব্যতিক্রম কিছু উদ্যোগ নিলে সেটি মানুষের নজরে খুব সহজে আসবে। এরকম একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ফেসবুকে দেখলাম। সেটি শেয়ার করলাম।
food-challange
Food Republic is calling all foodies for an Epic Challenge! Introducing The Abomination Challenge! Finish it all in 30 minutes and get all for free! Are you Ready?
Rules:
1. This challenge applies for one person
2. Time starts as soon as the timer starts
3. The challenger needs to clear all of the food and drink that is served
4. Food Republic reserves the right to change or omit any part of the challenge without prior announcement.
এরকম ক্যাম্পেইন কমপক্ষে ৩মাসে একবার হলেও অবশ্যই করতে হবে । এটি আপনার ব্রান্ডিং কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিবে।
- যদি লোকাল ব্যবসা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে অফলাইন বিভিন্ন উদ্যোগও অবশ্যই নিতে হবে। না হলে ব্রান্ডিং করা যাবেনা। গরীব কিংবা এতিমদের বিনামুল্যে ফ্রি ফল খাওয়ানোর উদ্যোগ, এরকম কিছু অফলাইন ক্যাম্পেইন ব্রান্ডিংয়ের কাজকে অনেক সহজ করে দিবে। নিজের মাথা থেকে ব্যতিক্রম কিছু এরকম উদ্যোগ নিতে পারেন।
অ্যানগেজমেন্ট এবং পেজের লাইক বৃদ্ধির আরও অনেক ধরনের উপায় বের করা যেতে পারে। এগুলো এখানে আর আলোচনা করলামনা।
৭ম ধাপঃ প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য পেমেন্ট সিস্টেম): সবগুলো পেমেন্ট সিস্টেমের ব্যবস্থা করা না গেলেও চেষ্টা করতে পারেন জনপ্রিয় সকল পেমেন্ট সিস্টেমগুলোতে ক্লায়েন্টের পেমেন্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা। বাংলাদেশের জন্য বিকাশ, ব্রাক ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক এই জনপ্রিয় পেমেন্ট গেটওয়েগুলোর মাধ্যমে পেমেন্টের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে।
সব লেনদেন যতটুকু সম্ভব স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করবেন। তাহলেই সবার মধ্যে ব্যবসা সম্পর্কে আস্থা তৈরি হবে। এবং ব্যবসা অনেক বড় হবে, এবং সেই সাথে টিকবেও অনেকদিন।
পেজের  অ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পনা আগে সাজিয়ে নিন। তাহলে কাজের সুবিধা হবে।  আমি আমার বউয়ের হিজাবসহ মহিলাদের ড্রেসের ব্যবসার ফেসবুক পেজের  (Joti Hizab: https://www.facebook.com/Joti.hizab ) পরিকল্পনাটা করে দিয়েছি। সেটি সবার সাথে শেয়ার করছি। নিচের লিংক থেকে সেটি ডাউনলোড করে নিন। সেই সাথে পেজটিতে লাইক দিয়ে সবসময়ের পোস্টগুলো অনুসরণ করতে পারেন, তাহলেও সব আইডিয়া একদম পরিস্কার হয়ে যাবে।
http://www.mediafire.com/view/c5yfdv69cqu8i19/Joti_Hijab.pdf
এ পোস্টটি পড়ার পর আশা করব, কেউ আর বেকার, অনেক গরীব, কাজ নেই, সেই বিষয় নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে আমাকে নক দিবেননা। এরপরও কেউ বেকার সেটি শুনতে পাওয়াটা দুঃখজনক। আমিতো কষ্ট করে লিখে সবার জন্য উপকার করার চেষ্টা করেছি। যারা পাঠক, তাদের কাছে অনুরোধ পোস্টটি পড়ার পর নিজের ওয়্যালে শেয়ার করবেন। তাহলে অনেক মানুষ উপকৃত হবে।

মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭ ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারে এটি চালাতে ৩২ এবং ৬৪ বিটের জন্য যথাক্রমে ১ এবং ২ গিগাহার্টজ প্রসেসর লাগবে। র‌্যাম দরকার হবে ৩২ এবং ৬৪ বিটের জন্য যথাক্রমে ১ ও ২ গিগাবাইট। হার্ডডিস্কে কমপক্ষে ২০ গিগাবাইট জায়গা লাগবে। সিস্টেমের আবশ্যকীয় সব যন্ত্রাংশ মিলে গেলে কাজ হবে কম্পিউটারের বায়োস কনফিগার করা। কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নির্দিষ্ট বায়োস সেটআপের কি চেপে বায়োসে ঢুকতে হয়। মাদারবোর্ডের প্রস্তুতকারকের ভিন্নতার কারণে বায়োস সেটআপ কি আলাদা হয়।
ইন্টেল মাদারবোর্ডে Del/Tab/F2 চেপে বায়োসে ঢুকুন। কি-বোর্ডের অ্যারো কি চেপে Boot নির্বাচন করে Boot Devices Priority-এ এন্টার চাপুন। 1st Boot Device-এ এন্টার চেপে CD/DVD নির্বাচন করে F10 চেপে তারপর Yes/ok চেপে বের হয়ে আসুন। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীরা একই নিয়মে মাদারবোর্ডের সেটিংসের পরিবর্তন এনে কাজটি সম্পন্ন করুন। এখন উইন্ডোজ ৭-এর ডিস্কটি ডিভিডিতে প্রবেশ করে কম্পিউটার পুনরায় চালু করুন। কালো পর্দায় Press any key to boot from CD or DVD লেখা দেখালে যেকোনো কি চাপুন। Windows is loading files বার্তা দেখিয়ে উইন্ডোজ তার ফাইল লোড করা শুরু করবে। লোড শেষ হলে Install now বোতাম চাপুন। পরের পর্দায় সরাসরি next চাপুন। লাইসেন্স শর্তাবলি আসবে, এখানে I accept license terms-এ টিক চিহ্ন দিয়ে Next চাপুন। এখন দুটি অপশনসহ পরের পর্দা চলে আসবে। ফ্রেশ ইনস্টলের জন্য Custom (Advanced) চাপুন। এ অংশে উইন্ডোজ কোথায় ইনস্টল করবেন, সেটি জানিয়ে দিতে হবে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাই সাবধানে পদক্ষেপ নিতে হবে। এখানে তালিকায় থাকা হার্ডডিস্কের সব ড্রাইভ দেখাবে। C: ড্রাইভ নির্বাচন করে Drive options (advanced)-এ ক্লিক করুন। Format-এ ক্লিক করে পরের বার্তায় Yes চাপুন। এটি করলে হার্ডডিস্কের C: নামক ড্রাইভে সব তথ্য মুছে যাবে এবং সম্পূর্ণ নতুনভাবে কম্পিউটারে উইন্ডোজ ইনস্টল হবে। তাই কাজ হবে C: ড্রাইভের গুরুত্বপূর্ণ ফাইল আগেই অন্য ড্রাইভে সরে নেওয়া।
ফরম্যাট শেষ হলে Next চাপুন। এই ধাপে উইন্ডোজের ইনস্টলেশনের জন্য যাবতীয় ফাইল কপি হবে। এটি শেষ হতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় নেবে। কপি হওয়ার মধ্যেই প্রয়োজনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উইন্ডোজ আবার চালু হবে। মনে রাখতে হবে, যেকোনো সময় আবার চালু হলে (রিস্টার্ট) কালো পর্দার Press any key to boot from CD or DVD এই লেখাটি এলে দ্বিতীয়বার আর কোনো কি চাপা যাবে না। তাহলে উইন্ডোজ আবার নতুন করে ইনস্টল শুরু করবে। এভাবে উইন্ডোজ তার প্রয়োজনমতো সব কাজ গুছিয়ে নেবে এবং Choose a user name for account পর্দা চলে আসবে। এখানে ব্যবহারকারীর নাম লিখে Next চাপুন। পরের পর্দায় পাসওয়ার্ড চাইলে সেটি লিখে Next চাপুন। Help protect your computer পর্দা চালু হলে এটিতে অংশ সব later চাপুন। পরের পর্দায় আঞ্চলিক সময় হিসেবে ঢাকা নির্বাচন করে তারিখ, সময় নির্ধারণ করে দিন। পরের পর্দায় উইন্ডোজ সক্রিয়করণ চালু হবে। জেনুইন উইন্ডোজ কি এই পর্দায় সেটি লিখে দিলে উইন্ডোজ সক্রিয় হয়ে যাবে।
—মো. রাকিবুল হাসান