On 2:59 AM in ফিচার
বাংলাদেশকে ঘিরে মহাপরিকল্পনা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নয়নে মাইলফলক স্থাপনে গত ছয় বছরের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে দেশকে বদলে দিতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই দেশের অবকাঠামোর ক্ষেত্রে একের পর এক বৃহৎ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। যার বড় অংশ এখন দৃশ্যমান। ২০১৯ সালের মধ্যেই বাস্তবায়ন করতে চান পদ্মা সেতু, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, কর্ণফুলীতে টানেল, ঢাকা-চট্টগ্রামে নতুন নতুন ফ্লাইওভার, ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের সংযোগে চার লেন, উড়ালসড়ক, কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অর্থনৈতিক জোন, গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনসহ উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রধানমন্ত্রীর। শুধু তাই নয়, বেসরকারি খাতকেও উৎসাহিত করে উন্নয়নে গতি আনতে চান তিনি। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের তদারকি করছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনিটরিং সেল। প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে প্রকল্পের। জানা যায়, গত মেয়াদে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনার করা উন্নয়নের মাস্টারপ্ল্যানে রাখা হয় বাংলাদেশের ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’-কে। প্রকল্পের কাজ এগিয়েও গেছে অনেকখানি। সব কাজ শেষে ২০১৭ সালের মধ্যে স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ পাঠানো সম্ভব হলে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। মিলিয়ন ডলার বেচে যাবে টেলিভিশন সম্প্রচার, টেলিফোন, রেডিওসহ অন্যান্য কাজে এতদিন দেওয়া ভাড়া থেকে। আবার বিদেশিদের কাছে ভাড়াও দেওয়া যাবে। বাংলাদেশের আরেকটি বৃহৎপ্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রায় ৬০ বছর আগের এই পরিকল্পনা একেবারে বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতোই বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের বিষয়টিও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের মাস্টারপ্ল্যানে বৃহৎ অংশ জুড়েই আছে। গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের বাণিজ্যের হাবে পরিণত হতে পারে। গভীর সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রামের পর দ্বিতীয় অগভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হচ্ছে পায়রায়। সূত্র মতে, দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির চিত্র পাল্টে দিতে একসঙ্গে বেশ কিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে শেখ হাসিনার মাস্টারপ্ল্যানে। একসঙ্গে পাঁচটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক কাজ শুরুও করা হয়েছে। চট্টগ্রামের মিরসরাই ও আনোয়ারা, সিলেটের মৌলভীবাজার ও বাগেরহাটের মংলায় প্রথম চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে বিদেশিদের টাকায়, পঞ্চমটি হবে সিরাজগঞ্জে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে। এ ছাড়া চীন, জাপান ও ভারতের মতো দেশের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক এলাকার পরিকল্পনাও আছে মাস্টারপ্ল্যানে। ইতিমধ্যেই দেশের সমুদ্র তীরবর্তী জেলা কক্সবাজারকে নিয়েও করা হয়েছে মহাপরিকল্পনা। যোগাযোগ খাতের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে জোর দেওয়া সরকার নিজস্ব অর্থায়নেই এটি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে এসেছে। সরকারের মাস্টারপ্ল্যানে আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে সমুদ্র ভিত্তিক ব্লু-ইকোনমি। লক্ষ্য সাগরে বিশাল জলসীমায় থাকা বিপুল পরিমাণ সমুদ্র সম্পদের ব্যবহার। আবার এতদিন ধরে থাকা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করতে সব স্তরে ডিজিটাল পদ্ধতি প্রবর্তন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার
খুঁজে দেখো -----
জনপ্রিয় লেখা
-
পানিভর্তি গ্লাস হাতে নিয়ে ক্লাশ আরম্ভ করলেন এক প্রফেসর। হাত দিয়ে গ্লাসটি উঁচু করে ধরে জিজ্ঞেস করলেন, “এই গ্লাসটির ওজন কত বলতে পার?” । ৫০ ...
-
আমাদের অধিকাংশেরই মন মানসিকতা এমনভাবে গড়ে ওঠেছে যে, চাকরগিরী কিংবা কেরানিগিরী করা ছাড়া স্বাধীন উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তাও যেন আমরা করতে পা...
-
জাপানিজরা বাচ্চা থাকতেই পরিশ্রম করতে শিখে। উন্নত দেশ বলে ওদের মুখে সোনার চামচ দিয়ে খাবার তুলে দেয় না বাবা মায়েরা। স্কুলে ওরা শুধু পড়াশ...
-
সব ধরনের তৃণলতার মাটির ভাঙন রোধের ক্ষমতা সমান নয়। অস্ট্রেলিয়া, কম্বোডিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, জিম্বাবুয়ে, পৃথিবীর এ মাথা...
-
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে ডিজিটাল কানেকটিভিটির আওতায় আনা হবে। ...
-
মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৭ ল্যাপটপ এবং ডেস্কটপ কম্পিউটারে এটি চালাতে ৩২ এবং ৬৪ বিটের জন্য যথাক্রমে ১ এবং ২ গিগাহার্টজ প্রসেসর লাগবে। র্...
-
একটি ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছিল। এই যড়যন্ত্র ...
-
নিজের পরিবারের দরিদ্রতা নিয়ে আফসোস না করে, নিজের দরিদ্রতার দোহাই দিয়ে অন্যের কাছ থেকে সুযোগ সুবিধা গ্রহনের চেষ্টা না করে, নিজেকে প্রস্তু...
